পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি-
এখন নিজেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করুন যেমন আপনার ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য কি কাদের কাছে বিক্রি করবে এবং তা আপনার কাস্টমার কারা হবে।
ব্যবসার মূলধন কিভাবে জোগাড় করবেন আর এসকল প্রশ্নের উত্তর আপনার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা হিসেবে লিখিত থাকতে হবে ।
আপনার কোম্পানি কোথায় নিয়েছেন সম্ভাব্য জটিলতা কে কিভাবে মোকাবেলা করবেন এবং তা টিকিয়ে রাখতে কি কি করবেন তা বুঝাতে ব্যবসায় পরিকল্পনা আপনাকে সাহায্য করবে।
ব্যবসার আর্থিক যোগান সম্পর্কে জানান-
একটা ব্যবসা শুরুর একটা খরচ থাকে তাই আপনি কিভাবে সেসব খরচ কে অতিক্রম করবেন তা নির্ধারণ করুন।
আপনার কাছে কি শুরু করার মত ফান্ড রয়েছে, অথবা আপনাকে কি টাকা ধার করতে হবে আপনি যদি full-time হিসেবে ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনার উচিত হবে না ।
যতক্ষণ না ব্যবসা শুরুর খরচাপাতি এবং ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ।
এক্ষেত্রে সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে আপনি ব্যাংক থেকে কমার্শিয়াল লোন নিতে পারেন ,তবে যদি তা সম্ভব না হয় তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লোন এর জন্য ব্যাংকে আবেদন করতে পারেন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন